রবিবার, নভেম্বর ২৪, ২০২৪

কলারোয়া নিউজ

প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

আশাশুনিতে ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ

জি.এম আল ফারুক, আশাশুনি : আশাশুনি উপজেলায় এবছর ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এসব জমিতে উৎপাদিত ধান থেকে ৩০ হাজার ৩৪৪ মে.টন চাউল পাওয়া যাবে বলে ধারনা করা হচ্ছে।

আশাশুনি উপজেলা সম্প্রসারণ অধিদপ্তর চলতি বছর উপজেলার ১১ ইউনিয়নে ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে। কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাবৃন্দ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে নিরলস ভাবে কাজ শুরু করেন এবং কৃষকদের সাথে মাঠে ও বাড়িতে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করে উদ্বুদ্ধ করেন। ফলশ্রুতিতে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়। কৃষকরা ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করেছেন। যার মধ্যে হাইব্রিড ৪০ হেক্টর, স্থানীয় জাতের ৪০ হেক্টর ও উপশী ৯ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। কৃষি কর্মকর্তাদের সার্বিক যোগাযোগ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়ে কৃষকরা ফসলের পরিচর্চা যথাযথ ভাবে করতে সক্ষম হন। রোগ বালাই ও সার ব্যবস্থাপনা পরামর্শ মোতাবেক করা হয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ যতটুকু দেখা গেছে তা কাটিয়ে উঠতে চেষ্টায় কমতি করা হয়নি। আশা ব্যাঞ্জক ফসল উৎপাদন হবে বলে এ পর্যন্ত কর্তনকৃত ফসলের ফলনে লক্ষ্য করা গেছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ এস এম এনামুল ইসলাম জানান, আশাশুনি উপজেলায় লবণপানির মৎস্য চাষের জন্য আবাদী জমির পরিমান কম হলেও কৃষি বিভাগের তৎপরতায় ধান আবাদের পনিমান বাড়তে শুরু করেছে। তাছাড়া একই জমিতে একাধিক ফসল উৎপাদনে কৃষকরা এগিয়ে আসায় স্ববলম্বি হতে সুডোগ পাচ্ছে।

তিনি বলেন, এবছর আমাদের ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৯ হাজার ৩০০ হেক্টর জমা। সেখানে অর্জিত হয়েছে ৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমি। ইতিমধ্যে ৮৫% জমির ধান কাটা হয়েগেছে। গড় ফসল উৎপাদনেরর হার অনুযায়ী আশিশুনিতেনপ্রতি হেক্টরে (উপশী) ৩.২ মে. টন চাউল উৎপাদন হবে। হাইব্রিড পারনহেক্টরে ৩.৮ মে.টন ও স্থানীয় জাতের ২.৮ মে.টন চাউল উৎপাদিত হবে। ফলে আশাশুনি উপজেলায় সর্বমোট সম্ভাব্য উৎপাদন হবে (চাউলে) উপশী ৩০ হাজার ৮০ মে.টন, হাইব্রিড ১৫২ মে.টন ও স্থানীয় জাতের ১১২ মে.টন।

বুধহাটার কৃষক নুরুর ইসলাম জানান, সরকার তথা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এলাকার কৃষকরা ধান চাষাবাদে খুবই আগ্রহ সহকারে কাজ করতে পেরেছে। বীজ তলা থেকে শুরু করে শেষ পর্যন্ত সঠিক ভাবে ধান পরিচর্চা করে আল্লাহর রহমতে আশানুরুপ ফলন পেয়েছি। আমরা সোনার ফসল ঘরে তুলতে পেরে খুবই খুশি।

চাষী জালাল উদ্দীন বলেন, আল্লাহর মর্জিতে ধান ফসল ঘরে তুলেছি। কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতা পেয়ে আমরা ভালভাবে চাষাবাদ করতে পেরেছি। পোকা মাকড় দমন, রোগ বালাই রোধ ও সার দেওয়ার ব্যাপারে তাদের পরামর্শ আমাদেরকে চিন্তামুক্ত রাখতো।

একই রকম সংবাদ সমূহ

আশাশুনিতে মাদ্রাসা প্রধানদের সাথে শিক্ষা কর্মকর্তার মতবিনিময়

জি.এম আল ফারুক, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) ঃ আশাশুনি উপজেলার সকল দাখিল আলিম ওবিস্তারিত পড়ুন

আশাশুনিতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়ন টাস্কফোর্স কমিটির সভা

জি.এম আল ফারুক, আশাশুনি (সাতক্ষীরা) ঃ আশাশুনিতে উপজেলা তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন বাস্তবায়নবিস্তারিত পড়ুন

আশাশুনিতে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টের ২য় খেলায় মহিষকুড় ফুটবল একাদশের জয়লাভ

স্টাফ রিপোর্টার: আশাশুনির কাপসন্ডা প্রভাতী যুব সংঘের আয়োজনে ৮ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্টেরবিস্তারিত পড়ুন

  • আশাশুনিতে গুলিতে নিহত ৩ শহীদের অভিভাবকদের সংবাদ সম্মেলন
  • শ্যামনগরে উপকূল দিবসে বিশেষ আলোচনা ও মানববন্ধন
  • উপকূলের জন্য একটি দিন
  • আশাশুনিতে সেবাদানকারী প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময় সভা
  • আশাশুনিতে বিএনপির বিশাল জনসভা অনুষ্ঠিত
  • আশাশুনি হাইস্কুলে প্রয়াত ও অবঃ শিক্ষকদের স্মরন সভা ও দোয়ানুষ্ঠান
  • আশাশুনিতে উপজেলা বিএনপির সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত
  • আশাশুনিত জাতীয় সমবায় দিবস পালন
  • আশাশুনির মনিপুর-ভোলানাথপুর প্রীতি ফুটবল ম্যাচে যশোর জেলার ঝিনুক ফুটবল একাদশের জয় লাভ
  • সাতক্ষীরা আদালতে জিপি, পিপি ও নারী-শিশু পিপিসহ ৩৪ আইন কর্মকর্তা নিয়োগ
  • আশাশুনির সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাংবাদিক অসীম কলকাতায় দুর্ঘটনায় নিহত
  • সাতক্ষীরায় প্লাস্টিকের বিনিময়ে ৫ শতাধিক গাছ পেলো শিক্ষার্থীরা