শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়া হাসপাতালে ডাক্তার মাত্র ৪ জন, দুর্ভোগে রোগীরা

মোস্তফা হোসেন বাবলু: কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকটে থাকার কারণে সেবা নিতে আসা রোগীরা সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। ফলে চরম দুর্ভোগ আর ভোগান্তিতে রোগী ও তাদের স্বজনরা। ৫০ শয্যা হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে রোগীদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে নিয়মিত। উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভা নিয়ে গঠিত কলারোয়া উপজেলা। এ উপজেলায় ওয়েব সাইট তথ্য অনুযায়ী প্রায় ২৩৭৯৯২ লক্ষ মানুষের চিকিৎসার একমাত্র স্থান এই হাসপাতাল।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়- কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাক্তারের মোট পোস্ট ২১টি। এরমধ্যে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ১জন, আবাসিক মেডিকেল অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) ১জন, মেডিকেল অফিসার ২জন, ডেন্টাল সার্জন ১জনসহ মোট ৫জন কর্মরত। এরমধ্যে ১জন ফাউন্ডেশন ট্রেনিং আছেন। এরমধ্যে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ঠিকমতো অফিসে থাকতে পারেন না, যেদিন থাকেন সেদিনও ঠিকমতো সাধারণ রোগীদের চিকিৎসাসেবাও দিতে পারেন না। ফলে বর্তমানে ৩জন চিকিৎসক দিয়ে চলছে জনবহুল এ উপজেলার হাসপাতালটি। কাগজেকলমে ৪জন থাকলেও বাস্তবে মাত্র ৩জন ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসাসেবায় হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে নার্সদের উপর পড়েছে অতিরিক্ত চাপ।

জানা গেছে- হাসপাতালে সিজারিয়ানের ব্যবস্থা থাকলেও বিশেযজ্ঞ গাইনি ডাক্তার না থাকায় সাধারণ গরীব গর্ভবতী মায়েদের বাইরের প্রাইভেট ক্লিনিকে সিজার করতে হচ্ছে। এতে তাদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় হচ্ছে বলে মনে করেন ভোক্তভুগিরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে- হাসপাতাটিতে সবসময় ধারণক্ষমতার বেশী রোগী ভর্তি আছেন। এতে তাদের চিকিৎসা দিতে ডাক্তার ও নার্সদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। ফলে হাসপাতালে যথাযথ সেবা না পেয়ে অনেক রোগী চলে যান স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে। এর ফলে সাধারণ গরীব মানুষের জন্য কষ্টসাধ্য ব্যাপার বলেছেন ভোক্তভুগিরা।
হাসপাতালে ৪ জন পরিস্কার পরিচ্ছন্ন কর্মচারী থাকার কথা থাকলেও বর্তমানে আছেন ২জন। ইতোমধ্যে তাদের চাকরীর বয়সও শেষের দিকে, অর্থাৎ ২০২৫ সালের শেষে শেষ হয়ে যাবে বলে জানা গেছে।

কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশিষজ্ঞ চিকিৎসক ও জনবল সংকট থাকার কারণে এ জনবহুল উপজেলার মানুষ সঠিক সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে সুশিলসমাজ ও রাজনৈতিক শিক্ষিত সমাজের ব্যক্তিবর্গ বলেন।

এ ব্যাপারে কলারোয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার বলেন- আমিসহ ৪ জন চিকিৎসক দিয়ে সঠিক সেবা দিতে আমাদের খুবই হিমশিম খেতে হচ্ছে। ডাক্তারের প্রয়োজন।
ডাক্তার সংকট এর সমাধান না হলে চিকিৎসা সেবার ব্যহত হবে বলে তিনি জানান।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. জহুরুল ইসলাম বলেন- বিষয়টি আমি জেলা মিটিং এ আলোচনা করেছি। দ্রুত সময়ে সমাধান হবে বলে আশা করি।

সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. আব্দুস সালাম বলেন- সকল উপজেলায় ডাক্তার সংকটে আছে। আশা করি আগামি এক মাসের মধ্যে ডাক্তার সংকট কেটে যাবে।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ICTবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ লাখবিস্তারিত পড়ুন

২৮ অক্টোবরের রক্তের চেতনা দলীয়করণের জন্য নয় : এমপি ইজ্জত উল্লাহ

“ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সারের ডিলার নিয়োগ হওয়ার কথা থাকলেও সারাদেশে দলীয়করণবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় কিশোরী ও অভিভাবক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
  • কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে কলারোয়ায় যুব ও ওস্তাদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া জলাবদ্ধ-পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানিফল, ফিরছে কৃষকের সুদিন
  • কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় পোস্টারিং কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় সিসিডিবি’র সম্প্রীতি প্রকল্পের পরামর্শক কমিটি গঠন
  • কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ
  • কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার
  • কলারোয়ার ইসলামপুর (ব্রজবাকসা) মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ’র ইন্তেকাল