বুধবার, অক্টোবর ১৪, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

ডাক্তারকে নাম বলায় পেটালেন স্বামী

যে দেশে মেয়েদের নাম প্রকাশ নিষেধ

এই নারীর নাম আমরা দিয়েছি রাবিয়া – থাকেন পশ্চিম আফগানিস্তানে। অনেক জ্বর নিয়ে তিনি গেছেন ডাক্তারের কাছে। ডাক্তার তার কোভিড-১৯ শনাক্ত করেছেন। রাবিয়ার অনেক জ্বর, সারা শরীরে ব্যথা।

রাবিয়া বাসায় ফিরে তার স্বামীর হাতে পেসক্রিপশনটা দিলেন, যাতে স্বামী তার জন্য ওষুধগুলো কিনে আনতে পারেন।
স্বামীর চোখে পড়ল প্রেসক্রিপশনে রাবিয়ার নাম লেখা। ক্রোধে উন্মাদ হয়ে গেলেন স্বামী। বাইরের ”একজন অপরিচিত পুরুষের কাছে” তার নাম প্রকাশ করার জন্য তাকে পেটাতে লাগলেন।

আফগানিস্তানের সমাজে এটাই দস্তুর। ‘বাইরের অপরিচিত’ মানুষের কাছে মেয়েরা তাদের নাম গোপন রাখতে বাধ্য হন পরিবারের চাপে। এমনকি ডাক্তারের কাছেও নাম বলা যাবে না। কিন্তু কিছু কিছু নারী এখন এর বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন।
সমস্যার শুরু হয় একজন কন্যা সন্তানের জন্মের সময় থেকেই।

বহু বছর পর্যন্ত তার কোন নামই থাকে না। তাকে নাম দিতেই গড়িয়ে যায় বছরের পর বছর। একটি মেয়ের যখন বিয়ে হয়, বিয়ের আমন্ত্রণপত্রে কোথাও তার নাম উল্লেখ করা হয় না। সে অসুস্থ হলে চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশনেও প্রায়শই তার নাম উল্লেখ করা হয় না।

সে যখন মারা যায়, তখন তার মৃত্যু সনদেও তার নাম লেখা হয় না। এমনকি কবরের স্মৃতিফলকেও সে নামহীনই থেকে যায়। সে কারণেই আন্দোলনে নেমেছেন কিছু নারী। তারা চাইছেন তাদের নাম প্রকাশের স্বাধীনতা। তাদের আন্দোলনের নাম তারা দিয়েছেন ”হোয়্যারইজমাইনেম?” – আমার নাম কোথায়? সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং পোস্টারে এই হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করছেন আন্দোলনকারী নারীরা।

আরেকজন নারী – তিনিও হেরাত প্রদেশের বাসিন্দা। বিবিসিকে বলেন তিনিও তার নাম পরিচয় গোপন রাখতে চান।

তিনি অবশ্য পুরুষদের এই আচরণের পক্ষে। তিনি বলেন, ‘কেউ যখন আমাকে আমার নাম জিজ্ঞেস করে, তখন আমাকে ভাবতে হয় আমার ভাই, আমার বাবা বা আমার হবু স্বামীর সম্মান রক্ষার কথা। তখন আমি নাম বলতে চাই না। ‘

”আমি আমার পরিবারকে কষ্ট দেব কেন? আমার নাম বলে লাভটা কী হবে? ”আমি চাই আমাকে আমার বাবার কন্যা বলে পরিচয় দেয়া হোক, আমার ভাইয়ের বোন বলা হোক। এবং ভবিষ্যতে আমি চাই আমার পরিচয় দেয়া হোক আমার স্বামীর স্ত্রী নামে, তারপর আমার ছেলের মা – এই নামে। ”

এই কাহিনিগুলো অবাক করার মত, কিন্তু এটাই আফগানিস্তানে নারীদের স্বাভাবিক চিত্র। মেয়েরা তাদের নিজেদের নাম ব্যবহার করলে সমাজ তাকে ভ্রূকুটি করে। এমনকি আফগানিস্তানের অনেক জায়গায় মেয়েদের নাম ব্যবহার করাকে পরিবারের জন্য অপমানজনক মনে করা হয়।

বহু আফগান পুরুষ তাদের বোন, স্ত্রী বা মায়ের নাম প্রকাশ্যে উচ্চারণ করেন না, কারণ বাইরে তাদের নাম বলা লজ্জার এবং অসম্মানজনক। নারীদের সাধারণত পরিচয় দেয়া হয় পরিবারের সবচেয়ে বয়স্ক পুরুষের সাথে তার সম্পর্কের সূত্র ধরে – যেমন অমুকের মা, অমুকের বোন বা অমুকের মেয়ে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা।

একই রকম সংবাদ সমূহ

পাকিস্তানের করাচিতে জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারি

পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ খাইবার পাখতুনখোয়ায় জরুরি অবস্থা ও গভর্নর শাসন জারির পরবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় সুপেয় পানির পয়েন্ট উদ্বোধন ও ডিজিটাল পানির বিলিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”

দি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন (The Coca-Cola Foundation—TCCF)-এর অর্থায়নে, ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফর আরবানবিস্তারিত পড়ুন

অর্থনীতিতে নোবেল পেলেন মাইকেল উডফোর্ড ও রবার্ট হল

মার্কিন শিক্ষাবিদ রবার্ট হল ও মাইকেল উডফোর্ড ২০২৬ সালের অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারবিস্তারিত পড়ুন

  • রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলা, আহত ৪ বাংলাদেশি আইসিইউতে
  • সৌদি আরবের বিমানবন্দরে হামলার কঠোর নিন্দা জানাল বাংলাদেশ
  • নিদালের মৃত্যুদণ্ড সরাসরি সম্প্রচার করবে যুক্তরাষ্ট্র, কেন এমন সিদ্ধান্ত?
  • গাজাবাসীদের পক্ষে লড়াই করা শান্তিতে নোবেলজয়ী কে এই নাভি পিল্লাই
  • ১৬ বছরের নির্যাতন-নিপীড়ন গুম-খুনের চিত্র তুলে ধরলেন আইনমন্ত্রী
  • বর্ষীয়ান অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই
  • পোস্টাল ভোটিং শুরু করতে বাংলাদেশের সহায়তা নেবে নেপাল
  • বিদায়ী ম্যাচে হলুদ-লালকার্ড ও বল পেলেন মেসি!
  • ইতালিতে ১ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫০ বিদেশি কর্মী নেওয়ার ঘোষণা, আবেদন যেভাবে
  • সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দি‌লে ভিসা প্রত্যাখ্যান হ‌তে পা‌রে : মার্কিন দূতাবাসের বার্তা
  • চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পেলেন তিন বিজ্ঞানী
  • ট্রাম্পের নৈশভোজের উচ্ছ্বসিত ছবি প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী