শুক্রবার, অক্টোবর ৩০, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

কলারোয়া পাকিস্থানী হানাদার মুক্ত দিবস ৬ ডিসেম্বর

১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর কলারোয়া থেকে পাকিস্থানী হানাদারদের বিতাড়িত করে মুক্তিকামী মানুষ স্বাধীন দেশের পতাকা উত্তোলন করে আনন্দ-উল্লাসের মধ্য দিয়ে মুক্ত দিবস পালন করেন। দীর্ঘ ৯ মাস কলারোয়ার দামাল ছেলেরা সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে পাকিস্থানী সেনাবাহিনীকে হটিয়ে অবরুদ্ধ কলারোয়াকে এই দিন মুক্ত করেন।

সূত্র মতে, মহান মুক্তিযুদ্ধে কলারোয়ায় ৩৪৩ জন বীর সন্তান যুদ্ধে অংশগ্রহন করেন। শহীদ হন ২৭ জন মুক্তিযোদ্ধা এর মধ্যে কলারোয়ার বীর সন্তান ৯ জন। আর এ পর্যন্ত কলারোয়ার ৮টি গণকবরের সন্ধান পাওয়া গেছে। এর মধ্যে কলারোয়া হাইস্কুল ফুটবল ময়দানের পার্শ্বে অবস্থিত গণকবরে শায়িত রয়েছেন গোপালগঞ্জ জেলার অধিবাসী শহীদ মুন্সী সাহেব আলী, মুন্সী মহসীন আলী, সুভাষ চন্দ্র, শিশির চন্দ্র, ও মনোরঞ্জন সহ নাম না জানা আরো অনেকে।

দীর্ঘ ৯ মাসের স্বাধীনতা যুদ্ধে কলারোয়ায় পাকবাহিনীর সাথে মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধ হয় ৬টি। প্রতিটি যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধারা বীরত্বের সাথে যুদ্ধ করে পাকবাহিনীকে পরাস্থ করে। কলারোয়া অঞ্চলে মুক্তিযোদ্ধা পরিচালনার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ন ভূমিকা পালন করে শতাধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত প্রবাসী সংগ্রাম পরিষদ। প্রবাসী সংগ্রাম পরিষদের নেতৃত্বে ছিলেন প্রাক্তন এমসিএ প্রয়াত মমতাজ আহম্মেদ, প্রয়াত ভাষা সৈনিক শেখ আমানুল্যাহ, সাবেক সংসদ সদস্য বি,এম নজরুল ইসলাম, প্রয়াত মোসলেম উদ্দীন, স্বর্গীয় শ্যামপদ শেঠ, প্রয়াত ইনতাজ আহম্মেদ, প্রয়াত মোছলদ্দীন গাইন, প্রয়াত ডাঃ আহম্মদ আলী প্রমুখ। কলারোয়া এলাকা ছিল মুক্তিযুদ্ধের ৮নং সেক্টরের অধীনে।

পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে প্রথম যুদ্ধ পরিচালনা করেন কলারোয়ার দুই বীর মুক্তিযোদ্ধা মোসলেম উদ্দীন ও আব্দুল গফ্ফার। এই দুই যুদ্ধকালিন কমান্ডারের নেতৃত্বে পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করেন কলারোয়ার বীর সন্তান সৈয়দ আলী, গোলাম মোস্তফা, আবুল হোসেন, আঃ রউফ, আনোয়ার হোসেন, কার্ত্তীক চন্দ্র, মালেক সহ শতাধিক মুক্তিযোদ্ধা। সাতক্ষীরার ভোমরা সীমান্তে সংগঠিত রক্তক্ষয়ী ওই যুদ্ধে ৬ শতাধিক পাকিস্থানী সেনা নিহত হয়। কলারোয়ায় পাক হানাদারদের সঙ্গে মুক্তিযোদ্ধাদের কয়েকটি বড় ধরনের সম্মুখ যুদ্ধ হয়। এ যুদ্ধেই ২৯ জন পাকিস্থানী সেনা নিহত হয়।

শহীদ হয় ১৭ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা। এর আগে ১৭ সেপ্টেম্বর কলারোয়ার সীমান্ত এলাকা কাঁকডাঙ্গা যুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনের মুখে হানাদাররা কাঁকডাঙ্গা ও দমদম ঘাঁটি ছেড়ে পালাতে বাধ্য হয়। এ ভাবে দীর্ঘ ৯ মাস কলারোয়ার বিভিন্ন স্থানে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনে অবশেষে ৬ ডিসেম্বর পাকিস্থানী সেনারা কলারোয়া ছেড়ে পালিয়ে গেলে বীর মুক্তিযোদ্ধারা কলারোয়া মুক্ত করে স্বাধীন দেশের লাল-সবুজের পতাকা (জাতীয়) উত্তোলন করেন। এই খুশির দিনে কলারোয়ার বিভিন্ন এলাকার মুক্তিকামী মানুষ আনন্দ, উল্লাস প্রকাশের মধ্য দিয়ে মুক্ত জীবনের বিজয়ের প্রকৃত স্বাদ উপভোগ করেন।

উল্লেখ্য, পাক হানাদার মুক্ত দিবস পালনের লক্ষ্যে কলারোয়া মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের আয়োজনে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহন করা হয়েছে বলে জানা যায়।

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় দোকান ভাংচুর ও মারপিটের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করা হয়েছে। ICTবিস্তারিত পড়ুন

সাতক্ষীরা সীমান্তে ২০ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১

সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে মাদক ও চোরাচালানবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ২০ লাখবিস্তারিত পড়ুন

২৮ অক্টোবরের রক্তের চেতনা দলীয়করণের জন্য নয় : এমপি ইজ্জত উল্লাহ

“ন্যায্যতা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে সারের ডিলার নিয়োগ হওয়ার কথা থাকলেও সারাদেশে দলীয়করণবিস্তারিত পড়ুন

  • কলারোয়ায় কিশোরী ও অভিভাবক সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণ
  • সাতক্ষীরা ও কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার চোরাচালানি পণ্য জব্দ
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে মিনি স্টেডিয়াম নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন
  • কারিগরি প্রশিক্ষণের লক্ষ্যে কলারোয়ায় যুব ও ওস্তাদের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়া জলাবদ্ধ-পতিত জমিতে শোভা পাচ্ছে পানিফল, ফিরছে কৃষকের সুদিন
  • কলারোয়ায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা
  • সাতক্ষীরা সীমান্তে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার চোরাচালানি পণ্যসহ আটক ১
  • যুবদলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে কলারোয়ার কুশোডাঙ্গায় পোস্টারিং কর্মসূচি
  • কলারোয়ায় সিসিডিবি’র সম্প্রীতি প্রকল্পের পরামর্শক কমিটি গঠন
  • কলারোয়া সীমান্তে সাড়ে ৭ লাখ টাকার ভারতীয় ওষুধ ও মোবাইল যন্ত্রাংশ জব্দ
  • কলারোয়ায় পুলিশের অভিযানে পরোয়ানাভুক্ত ৬ আসামি গ্রেফতার
  • কলারোয়ার ইসলামপুর (ব্রজবাকসা) মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক আব্দুর রশিদ’র ইন্তেকাল