মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৩, ২০২৬
প্রধান ম্যেনু

সাতক্ষীরা, দেশ ও বিশ্বের সকল সংবাদ, সবার আগে

রাখে-আল্লাহ্-মারে-কে “”””২১শে আগষ্ট ২০০৪”””” সাবেক ছাত্রনেতা- ফরিদুজ্জামান

সাবেক ছাত্রনেতা ফরিদউজ্জামান খানের টাইম লাইন থেকে প্রাপ্ত

২০০৪ সাল তখন আমি মাধ্যমিকের ছাত্র সেদিন ছিল ২১শে আগষ্ট আনুমানিক বিকেল সাড়ে পাঁচ টার দিকে আমরা কয়েক জন বন্ধু মিলে বাজারে যাচ্ছিলাম পাশের চায়ের দোকান থেকে কে জানি বলে উঠলো শেখ হাসিনাকে গ্রেনেড মেরে উড়িয়ে দিয়েছে।
তখন আমি নীরব হয়ে গেলাম কাঁদিতে যেয়ে কাঁদিতে পারলাম না বন্ধুদেরকে কিছু না বলে ছুটে চলে গেলাম পল্লি ফোনের দোকানে, তখন আমার সেলফোন ছিলোনা। আমার এলাকার এক বড়ো ভাই ঢাকায় সে সমাবেশে গিয়েছিল আমি ফোন দিয় তাঁকে কিনতু সে রিসিভ করেনি অনেক বার ফোন দেওয়ার পরেও ফোন ধরেনি পরে মনের কষ্টে বাড়ি ফিরি কিন্তু মনকে সান্তনা দিতে পারছিলামনা।
শেখ হাসিনাকে ওরা মেরে ফেললো আমার মা আমাকে বললো কি হইছে তোর একা একা কার সাথে কথা বলিস মায়ের কথা শুনে আমি আর নিজেকে ধরে রাখতে পারলাম না,বললাম মা ওরা শেখ হাসিনাকে মেরে ফেলেছে!
মা শুনে গম্ভীর হয়ে গেলো আমাকে সান্তনা দেওয়ার চেষ্টা করলো তখন আমি ছটফট করছিলাম। তখন আনুমানিক সাড়ে ছয়টা বাজে সে সময়ে আমার বাইক ছিলোনা। বাই সাইকেল নিয়ে বাহির হলাম মা বলে এখন তুই কোথায় যাবি আমি বললাম জানিনা মা।
তাই বলে বাড়ি থেকে বাহির হলাম, আমার গ্রাম শাকদাহ থেকে উপজেলা কলারোয়া ৮ কিলোমিটার দূরে। আমি কলারোয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হলাম।
তত্কালীন কলারোয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের অভিভাবক মোসলেম উদ্দিন কমান্ডার, প্রায় ২০ মিনিট পর আমি তার বাসভবনে পৌছালাম সেখানে গিয়ে দেখি অনেক মানুষ, আমি বাহিরের জানালার কাছে দাড়ালাম দেখি সবার চোখে জল।
কমান্ডার কাকু বলছেন তোরা কাঁদিসনা “খুকী বেঁচে আছে” তখন আমি কেঁদে উঠে বললাম আমার নেত্রী কেমন আছে তখন কমান্ডার আমাকে ডেকে জড়িয়ে ধরে বললো বাবা কাঁদিস না শেখ হাসিনার কিছু হইনি কিন্তু তাকে যারা বাঁচিয়েছে তারা বাজবে কিনা জানিনা।
কথা শুনে মনকে কিছুটা শান্তনা দিলাম সে দিন আই ভি রহমান, মেয়র হানিফ সহ অনেকেই জীবন বাজি রেখে নেত্রীকে বাঁচিয়ে ছিলেন।

২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট সময় বিকাল পাঁচটা ২২ মিনিট জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু বক্তৃতা শেষ করে বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তার হাতে একটি কাগজ নিয়ে এগোতে থাকলেন ট্রাকের সিঁড়ির দিকে মুহূর্তের মধ্যে শুরু হলো নারকীয় গ্রেনেড হামলা আর জীবন্ত বঙ্গবন্ধু এভিনিউ মুহূর্তেই পরিণত হলো মৃত্যু পুরীতে। শেখ হাসিনাকে টার্গেট করে পটকা ফোটানোর মতোই একের পর এক গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটায় ঘাতকরা।
কিছু বুজে উঠার আগেই মুহূর্তের মধ্যে রক্ত মাংসে পরিণত হয় সমাবেশ স্থল রক্ত গঙ্গা বয়ে যায় এলাকা জুড়ে নিস্তব্দ হয়ে যায় সমগ্র বাংলাদেশ!!

একই রকম সংবাদ সমূহ

কলারোয়ায় সুপেয় পানির পয়েন্ট উদ্বোধন ও ডিজিটাল পানির বিলিং বিষয়ে প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত”

দি কোকা-কোলা ফাউন্ডেশন (The Coca-Cola Foundation—TCCF)-এর অর্থায়নে, ওয়াটার অ্যান্ড স্যানিটেশন ফর আরবানবিস্তারিত পড়ুন

কলারোয়ায় যুবদলের সাবেক সভাপতি আব্দুল কাদের বাচ্চুর সংবাদ সম্মেলন

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন কলারোয়া উপজেলাবিস্তারিত পড়ুন

ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে কলারোয়ায় যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন

ফেসবুকে অপপ্রচারের প্রতিবাদে শনিবার কলারোয়া প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন হেলাতলা ইউনিয়ন যুবদলেরবিস্তারিত পড়ুন

  • শার্শা থেকে কলারোয়া সীমান্তে মাদক নেটওয়ার্কের বিস্তার, আলোচনায় আমজাদ
  • কলারোয়ায় জামায়াতের লিডারশিপ ট্রেনিং প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত
  • কলারোয়ার কেঁড়াগাছি ফুটবল টুর্নামেন্টে মুকুন্দপুর চ্যাম্পিয়ন
  • কলারোয়ায় সোনালী আঁশের পাশাপাশি পাটকাঠিতে বাড়তি আয়ের স্বপ্ন কৃষকের
  • কলারোয়ায় এবার সাদা তিলের তৈরি দুর্গা প্রতিমা
  • কলারোয়ায় মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতির কমিটি গঠনে সার্চ কমিটির সভা
  • কলারোয়া বেত্রবতী হাইস্কুলে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ কমিটির সভা
  • কলারোয়ায় দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা
  • কলারোয়ার হিজলদী হাইস্কুল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের কমিটি গঠন
  • কলারোয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানে ৫ জনের কারাদণ্ড
  • কলারোয়ায় হুতিদের আগ্রাসনের প্রতিবাদে মানববন্ধন
  • কলারোয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনের মৃ/ত্যু